Posts

হাবিল ও কাবিলের মৃত্যুর কাহিনী

Image
হাবিল ও কাবিলের মৃত্যুর কাহিনী পৃথিবীতে সর্বপ্রথম হাবিল ও কাবিলের মৃত্যু হয়,,,,,,, , বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,,,,, ⭐⭐⭐ কাবিল ও হাবিল নামে দুই ভাইয়ের ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামের ইতিহাস অনুসারে কাবিল ও হাবিলের মাধ্যমেই প্রথম কুরবানি শুরু হয়।[1] তাদের মধ্য থেকেই পৃথিবীতে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে এবং তাদের মাধ্যমেই মৃতদেহ কবর দেবার নিয়ম চালু হয়।[2] জুমার নামাজের আগে কিংবা কুরবানির ঈদের নামাজের আগে বিশেষ আলোচনায় কুরবানির ইতিহাস সম্বন্ধে আলোকপাত করতে গিয়ে ইমাম সাহেবরা প্রায় সময়ই কাবিল ও হাবিলের ঘটনার উল্লেখ করেন। খ্রিস্টধর্মে তাদেরকে কেইন ও এবেল নামে ডাকা হয়।[3] কাবিল ও হাবিলের ঘটনা সম্বন্ধে আলোচনা করতে গেলে উল্লেখ করতে হবে তাদের পিতা হযরত আদম (আ:) ও মাতা বিবি হাওয়া (আ:) এর কথা। হযরত আদম (আ:) ও বিবি হাওয়া (আ:) উভয়ে জান্নাতের সুসজ্জিত বাগানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু তাদের পিছু লাগলো ‘ইবলিস’ নামে এক পাপিষ্ঠ শয়তান। ইবলিস চাইলো তারা যেন সুখের জান্নাতে থাকতে না পারে। যতটা না সুখের জান্নাত থেকে বিতাড়িত করার ইচ্ছে ছিল ইবলিসের, তারচেয়েও বেশি ইচ্ছে ছিল তারা যেন আল্লাহর দেয়া আদেশ...

ইহুদিদের ইতিহাস

Image
  ,,,,বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ⭐⭐⭐   বিশ্বের বুকে জাতি হিসেবে ইহুদিদের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও অপকর্মের ইতিহাস সর্বজনবিদিত। কোরআনে কারিমে তাদের অভিশপ্ত ও লাঞ্ছিত জাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুদখোর ও ধনলিপ্সু জাতি হিসেবেও তাদের একটা পরিচয় রয়েছে। এ জাতি যুগ যুগ ধরে খোদাদ্রোহিতা, কুফরি ও তাদের খারাপ কর্মকাণ্ডের জন্য মানুষের কাছে অত্যন্ত ঘৃণাভরে পরিচিতি পেয়ে এসেছে। জন্মগতভাবেই এই জাতি খুবই চতুর ও ধুরন্ধর হওয়ায় বিভিন্ন ছলচাতুরী দিয়ে মানুষকে বশীভূত রাখার কৌশল অবলম্বন করে। এর মাধ্যমে তারা অন্যের ওপর দিয়ে যুগে যুগে তাদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তাদের ওপর আরোপ করা হলো লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। ইসলামী জীবন ইহুদি জাতির গোড়ার ইতিহাস বিশ্বের বুকে জাতি হিসেবে ইহুদিদের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও অপকর্মের ইতিহাস সর্বজনবিদিত। কোরআনে কারিমে তাদের অভিশপ্ত ও লাঞ্ছিত জাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুদখোর ও ধনলিপ্সু জাতি হিসেবেও তাদের একটা পরিচয় রয়েছে। এ জাতি যুগ যুগ ধরে খোদাদ্রোহিতা, কুফরি ও তাদের খারাপ কর্মকাণ্ডের জন্য মানুষের...

আল্লাহ মানুষকে বিপদ-আপদ কেন দেন

  আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরীক্ষা করার বিষয়ে কুরআনে পাকে উল্লেখ করেন, ‘‌নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে কিছু ভয় ও ক্ষুধা দ্বারা এবং কিছু ধন-সম্পদ-প্রাণ ও ফলের ক্ষতির মাধ্যমে পরীক্ষা করব। আর আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। যারা তাদের ওপর কোনো বিপদ-আপদ আসে; তখন তারা বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চিতভাবে তার দিকেই ফিরে যাব।' (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৫-১৫৬ ) কখনো কখনো মানুষের ওপর বালা-মুসিবত ও বিপদ-আপদ তাদের পাপ বা অন্যায়ের কারণে এসে থাকে। এটা এ জন্য আসে যে, তারা যেন ভবিষ্যতে পাপ বা অন্যায় করা থেকে সতর্ক হয়ে যায়। সুতরাং বান্দার বিপদ-আপদ এক ধরনের রহমত। আবার কখনো কখনো মানুষের ঈমানি পরীক্ষাস্বরূপ বালা-মুসিবত এসে থাকে। এতে ধৈর্যধারণে তাদের মর্যাদা বেড়ে যায়। এটাও আল্লাহ তাআলার রহমত। তবে যখনই কোনো মানুষের বিপদ-আপদ আসবে তখনই মনে করতে হবে তা নিজের অন্যয়, ভুল বা পাপের কারণেই এসে থাকে। আর এ বিপদ-আপদের পরিপ্রেক্ষিতে বান্দাকে হতে হবে আল্লাহর প্রতি বিনয়ী। ক্ষমা চাইতে হবে দয়াময় আল্লাহর কাছে। বিপদ-আপদ ও বালা-মুসিবতে করণীয় >> বিপদ-আপদে বিচলিত না হয়ে এটাকে আল্লাহর রহমত মনে করা। >> এ বিপদ-মুসিবত ...

ফেরাউন ও মুসার কাহিনী

Image
  ফেরাউন ও মুসার কাহিনী  ফেরাউন ও মুসার কাহিনী ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ⭐⭐⭐, 4/10/2023, মূসা ও ফেরাঊনের কাহিনী সুদ্দী ও মুররাহ প্রমুখ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) এবং বহু সংখ্যক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, ফেরাঊন একদা স্বপ্নে দেখেন যে, বায়তুল মুক্বাদ্দাসের দিক হতে একটি আগুন এসে মিসরের ঘর-বাড়ি ও মূল অধিবাসী ক্বিবতীদের জ্বালিয়ে দিচ্ছে। অথচ অভিবাসী বনু ইস্রাঈলদের কিছুই হচ্ছে না। ভীত-চকিত অবস্থায় তিনি ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। অতঃপর দেশের বড় বড় জ্যোতিষী ও জাদুকরদের সমবেত করলেন এবং তাদের সম্মুখে স্বপ্নের বৃত্তান্ত বর্ণনা দিলেন ও এর ব্যাখ্যা জানতে চাইলেন। জ্যোতিষীগণ বলল যে, অতি সত্বর বনু ইস্রাঈলের মধ্যে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করবে। যার হাতে মিসরীয়দের ধ্বংস নেমে আসবে’।[ মিসর সম্রাট ফেরাঊন জ্যোতিষীদের মাধ্যমে যখন জানতে পারলেন যে, অতি সত্বর ইস্রাঈল বংশে এমন একটা পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করবে, যে তার সাম্রাজ্যের পতন ঘটাবে। তখন উক্ত স...

ফেরাউনের পরিচয়

 ফেরাঊনের পরিচয় ফেরাঊনের পরিচয় ‘ফেরাঊন’ কোন ব্যক্তির নাম নয়। বরং এটি হল তৎকালীন মিসরের সম্রাটদের উপাধি। ক্বিবতী বংশীয় এই সম্রাটগণ কয়েক শতাব্দী ব্যাপী মিসর শাসন করেন। এই সময় মিসর সভ্যতা ও সমৃদ্ধির শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল। লাশ মমিকরণ, পিরামিড (PYRAMID), স্ফিংক্স (SPHINX) প্রভৃতি তাদের সময়কার বৈজ্ঞানিক উন্নতির প্রমাণ বহন করে। হযরত মূসা (আঃ)-এর সময়ে পরপর দু’জন ফেরাঊন ছিলেন। সর্বসম্মত ইস্রাঈলী বর্ণনাও হ’ল এটাই এবং মূসা (আঃ) দু’জনেরই সাক্ষাৎ লাভ করেন। লুইস গোল্ডিং (LOUIS GOLDING)-এর তথ্যানুসন্ধানমূলক ভ্রমণবৃত্তান্ত IN THE STEPS OF MOSSES, THE LAW GIVER অনুযায়ী উক্ত ‘উৎপীড়ক ফেরাঊন’-এর (PHARAOH, THE PERSECUTOR) নাম ছিল ‘রেমেসিস-২’ (RAMSES-11) এবং ডুবে মরা ফেরাঊন ছিল তার পুত্র মানেপতাহ (منفطه) বা মারনেপতাহ (MERNEPTAH)। লোহিত সাগর সংলগ্ন তিক্ত হরদে তিনি সসৈন্যে ডুবে মরেন। যার ‘মমি’ ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয়। সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিম তীরে ‘জাবালে ফেরাঊন’ নামে একটি ছোট পাহাড় আছে। এখানেই ফেরাঊনের লাশ প্রথম পাওয়া যায় বলে জনশ্রুতি আছে। গোল্ডিংয়ের ভ্রমণ পুস্তক এবং এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকার নিবন্ধে বলা হয়...

নগ্নতা শয়তানের প্রথম কাজ

Image
নগ্নতা শয়তানের প্রথম কাজ  নগ্নতা শয়তানের প্রথম কাজ থেকে কাপড় খসিয়ে তাকে উলঙ্গ করে দেওয়া। আজও পৃথিবীতে শয়তানের পদাংক অনুসারী ও ইবলীসের শিখন্ডীদের প্রথম কাজ হল তথাকথিত ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতার নামে নারীকে উলঙ্গ করে ঘরের বাইরে আনা ও তার সৌন্দর্য উপভোগ করা। অথচ পৃথিবীর বিগত সভ্যতাগুলি ধ্বংস হয়েছে মূলতঃ নারী ও মদের সহজলভ্যতার কারণেই। অতএব সভ্য-ভদ্র ও আল্লাহভীরু বান্দাদের নিকটে ঈমানের পর সর্বপ্রথম ফরয হল স্ব স্ব লজ্জাস্থান আবৃত রাখা ও ইযযত-আবরূর হেফাযত করা। অন্যান্য ফরয সবই এর পরে। নারীর পর্দা কেবল পোষাকে হবে না, বরং তা হবে তার ভিতরে, তার কথা-বার্তায়, আচার-আচরণে ও চাল-চলনে সর্ব বিষয়ে। পরনারীর প্রতিটি অঙ্গভঙ্গি ও মিষ্ট কণ্ঠস্বর পরপুরুষের হৃদয়ে অন্যায় প্রভাব বিস্তার করে। অতএব লজ্জাশীলতাই মুমিন নর-নারীর অঙ্গভূষণ ও পারস্পরিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি। নারী ও পুরুষ প্রত্যেকে একে অপরের থেকে স্ব স্ব দৃষ্টিকে অবনত রাখবে (নূর ২৪/৩০-৩১) এবং পরস্পরে সার্বিক পর্দা বজায় রেখে কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় কথাটুকু স্বাভাবিকভাবে সংক্ষেপে বলবে। নারী ও পুরুষ প্রত্যেকে নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য ও পর্দা বজায় রেখে স্ব স্ব কর্ম...

আদমের পাঁচটি শ্রেষ্ঠত্ব

Image
আদমের পাঁচটি শ্রেষ্ঠত্ব (১)তাকে নিজ দু’হাতে সৃষ্টি করেছেন (ছোয়াদ ৩৮/৭৫)। (২) আল্লাহ নিজে তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দিয়েছেন (ছোয়াদ ৩৮/৭২)। (৩) আল্লাহ তাকে সকল বস্ত্তর নাম শিক্ষা দিয়েছেন (বাক্বারাহ ২/৩১)। (৪) তাকে সিজদা করার জন্য আল্লাহ ফেরেশতাদের নির্দেশ দিয়েছেন (বাক্বারাহ ২/৩৪)। (৫) আদম একাই মাত্র মাটি থেকে সৃষ্ট। বাকী সবাই পিতা-মাতার মাধ্যমে সৃষ্ট (সাজদাহ ৩২/৭-৯)। ইবলীসের অভিশপ্ত হওয়ার কারণ ছিল তার ক্বিয়াস। সে আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধে যুক্তি পেশ করে বলেছিল, ‘আমি আদমের চাইতে উত্তম। কেননা আপনি আমাকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দয়ে’ (হিজর ২৯)। মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন বলেন, اول من قاس ابليس ‘প্রথম ক্বিয়াস করেছিল ইবলীস’। হাসান বছরীও অনুরূপ বলেছেন।[আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ১/৬৬] নারী জাতি পুরুষেরই অংশ এবং তার অনুগত্য  সিজদা অনুষ্ঠানের পর আল্লাহ আদমের জুড়ি হিসাবে তার অবয়ব হতে একাংশ নিয়ে অর্থাৎ তার পাঁজর হতে তার স্ত্রী হাওয়াকে সৃষ্টি করলেন[নিসা ৪/১; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩২৩৮] মাটি থেকে সৃষ্ট হওয়া আদমের নাম হল ‘আদম’ এবং জীবন্ত আদমের পাঁজর হতে সৃষ্ট হওয়ায় তাঁর স্ত্রীর ন...

শয়তানের সৃষ্টি ছিল মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ

Image
 শয়তানের সৃষ্টি ছিল মানুষের জন্য পরীক্ষা  Satan's creation was a test for man ইবলীসকে আল্লাহ মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ সৃষ্টি করেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার হায়াত দীর্ঘ করে দেন। মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য ও তাকে ধোঁকা দেওয়াই শয়তানের একমাত্র কাজ। ‘সে মানুষকে বলে কুফরী কর’। কিন্তু যখন সে কুফরী করে, তখন শয়তান বলে ‘আমি তোমার থেকে মুক্ত। আমি বিশ্বপ্রভু আল্লাহ্কে ভয় করি’ (হাশর ৫৯/১৬)। অন্যদিকে যুগে যুগে নবী-রাসূল ও কিতাব পাঠিয়ে আল্লাহ মানুষকে সত্য পথ প্রদর্শনের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন (বাক্বারাহ ২/২১৩)। আদম থেকে শুরু করে শেষনবী মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যন্ত এক লক্ষ চবিবশ হাযার পয়গাম্বর দুনিয়াতে এসেছেন [1]  এবং বর্তমানে সর্বশেষ এলাহীগ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ধারক ও বাহক মুসলিম ওলামায়ে কেরাম শেষনবীর ‘ওয়ারিছ’ হিসাবে[তিরমিযী, আহমাদ, আবুদাঊদ মিশকাত হা/২১২] আল্লাহ প্রেরিত অহীর বিধান সমূহ বিশ্বব্যাপী পৌঁছে দেবার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন (মায়েদাহ ৫/৬৭)। পৃথিবীর চূড়ান্ত ধ্বংস তথা ক্বিয়ামতের অব্যবহিত কাল পূর্ব পর্যন্ত এই নিয়ম জারি থাকবে। শেষনবীর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী পৃথিবীর এমন...

আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো

Image
  আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো   যুগ যুগ দরে যত নবী রাছুল এসেছেন সবাই ইসলাম পচারের জন্য অনেক আঘাত ও লাঞ্চিত হয়েছিলো খোদা দ্রহি নাফরমানী হাতে  প্রতেক নবী ও রাসুলের যুগে বসবাস করতেন। এমন পাপিষ্ঠ ও নাফরমানরা   ঐ যুগে এমন এক বাদশা ছিল। যে কিনা নিজেকে খোদা দাবি করতেন। সে ছিলো চার জন বাদশা মধ্যে অন্যতম এক জন সে 400 বছর দেশ শাসন করেছিলেন সে এতো টাই বেপরোয়া হয়েছিলো নিজেকে খোদা দাবি করল একদিন ইব্রাহীম আঃ বলেন হে নমরুদ তুমি ঈমান আনো আর পরো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ইব্রাহীম ও খলিল উল্লাহ  এই কথা শুনে নমরুদ বলে আমি নিজেই খোদা  তোমার খোদা আবার কোনটা ,,,,,,নাউছুবিল্লাহ ,,,,,,, ইব্রাহীম আঃ বলেন আমার খোদা জান নিতে ও পারে আবার দিতেও পারে তিনি এক তাহার কোন সরিক নাই নমরুদ বলে আমি ও তো পারি এই বলে নিষ্টুর নমরুদ সংগে সংগে ছুরির আঘাতে একজন -কে হত্যা করে। ফেলে বলে দেখ আমি জান নিতেও পারি দিতেও পারি দেখ আমি তর খোদা কে হত্যা করে। তার রাজ্য আমি দখল করব  নমরুদ সপ্নে  দেখে  আগুন থেকে  একটি লো...

কাবিলের কোরবানি কবুল হয়নি কেন?

Image
 18/9/2023⭐⭐⭐ কেন কোরবানী কবুল হয়নি  সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৩ আশ্বিন ১৪৩০ মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট থেকে স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে মুসলিম মিল্লাতের আদি পিতা হযরত ইব্রাহীম (আ:) নিজ শিশুপুত্রকে কোরবানি করার প্রচেষ্টার মাধমে ত্যাগের যে মহান শিক্ষা পৃথিবীতে রেখে গেছেন সেটিই আজ মুসলিমদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। হযরত ইব্রাহীম (আ:) মহান আল্লাহ্ তায়ালার সস্তুষ্টি লাভের আশায় এক কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে অত্যন্ত সফলভাবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, যা পবিত্র কোরআন শরীফে বিধৃত হয়েছে (সুরা আল-মায়েদা ২৭-৩১)। মাত্র এগার বছর বয়সী নিজ শিশুপুত্র হযরত ঈসমাইল (আ:)-কে আলালাহ্র রাহে উৎসর্গ করার জন্য তিনি যখন বার বার ছুরি চালিয়েও ব্যর্থ হন তখন মহান আল্লাহ্র নির্দেশে হযরত জিবরিল (আ:) বেহেস্ত থেকে সেখানে একটি দুম্বা এনে প্রতিস্থাপন করলে সেটি কোরবানি হয়ে যায়। কিন্তু কোরবানি অর্থ শুধু পশু কোরবানি করা নয়। এর ইতিহাস, রহস্য ও মাহাত্ম্য আরো সুপ্রাচীন। মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আ’লামীন পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন মুসলিম মিল্লাতের সবচে’ আদি পিতা-মাতা হযরত আদম (আ:) ও হযরত হাওয়াকে সৃষ্টি করে বেহেস্তÍ থেকে ...

হাবিল কাবিল এর জীবন কাহিনী আপন বোনকে বিয়ে করল

Image
 হজরত আদম এবং হাওয়া (আ.)–এর অনেক সন্তান ছিল। তাদের দুই ছেলে ছিল—কাবিল ও হাবিল   আদম ও হাওয়া (আ.)–এর আকলিমা নামে একটি মেয়ে ছিল। কাবিল তাকে বিয়ে করতে চাইত।⭐⭐⭐⭐⭐ হজরত আদম এবং হাওয়া (আ.)–এর অনেক সন্তান ছিল। তাদের দুই ছেলে ছিল—কাবিল ও হাবিল। কাবিল ছিল বড়। মা-বাবার কথা মেনে চলত না। হাবিল ছিল ছোট। মা-বাবাকে মেনে চলত। আদম ও হাওয়া (আ.)–এর আকলিমা নামে একটি মেয়ে ছিল। কাবিল তাকে বিয়ে করতে চাইত। কিন্তু আদম ও হাওয়া (আ.) চাইলেন আকলিমাকে ছোট ছেলে হাবিলের সঙ্গে বিয়ে দিতে। কাবিল তা মেনে নিতে পারেনি। এভাবে কাবিল নিজের মা-বাবা এবং ভাইয়ের শত্রু হয়ে গেল। তাদের মধ্যে বেঁধে গেল বিবাদ। তখন সৃষ্ট এ বিবাদ নিরসনে আল্লাহ হুকুম দিলেন, ‘তোমরা কোরবানি করে পাহাড়ের ওপর রেখে এসো। যার কোরবানি কবুল হবে, তার সঙ্গে আকলিমার বিয়ে হবে।’ এটি দেখে বড় ভাই কাবিল খুব রেগে গেল। সে হাবিলকে বলল, ‘আমি তোমাকে হত্যা করব।’ হাবিল বলল, ‘আল্লাহ সৎ বান্দার কোরবানি কবুল করেন। এখন তুমি যদি আমার সঙ্গে লড়াই করো, তবে আমি তোমার গায়ে হাত তুলব না।’ অবশেষে এর জেরে একদিন বড় ভাই কাবিল ছোট ভাই হাবিলকে হত্যা করল। এটা ছিল প...

আদম আঃ কতো জন সন্তান ছিলো

Image
 ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, প্রশ্ন: আদি পিতা হযরত আদম (আ.) এর কতজন পুত্র ও কন্যা সন্তান ছিলেন। হাবিল ও কাবিলের মধ্যে কে মুসলমান ও কে ইয়াহুদী ছিলেন। তাদের মধ্যে কি ঘটেছিল? উত্তর : হযরত আদম (আ.)-এর সন্তানের সংখ্যা সম্পর্কে ঐতিহাসিক বর্ণনায় মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। ইমাম ইবনে জারীর তাবারী (র.) তদীয় ইতিহাস গ্রন্থে হাওয়া (আ.)-এর গর্ভে হযরত আদম (আ.) এর ২০ দফায় চল্লিশজন সন্তানের জন্ম গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন। (তারীখে তাবারী-১৮৪, বেদায়া নেহায়া ১/৮৯, আল কামীল ১/৪২)। আর কেউ কেউ একশত কুড়ি দফায় দুইশত চল্লিশ জন সন্তান জন্মলাভের কথা উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য যে, উক্ত আদম সন্তানের অর্ধেক সংখ্যক ছেলে সন্তান অর্ধেক সংখ্যক মেয়ে সন্তান ছিলেন। কেননা প্রতি দফায় একজন ছেলে ও একজন মেয়ে জন্মগ্রহণ করত। সর্বপ্রথম দফায় কাবীল ও তাহার যমজ ভগ্নী একলিমা এবং সর্বশেষ দফায় আবদুল মুগীস ও তদ্বীয় যমজ ভগ্নী উম্মুল মুগীস জন্মগ্রহণ করেন (সীরাত ও বিশ্বকোষ ১/৮০)। হাবিল ও কাবিলের কেউ ইয়াহুদী ছিলেন না, তার...

গন্দম ফল

Image
                    🍓🍓🍓🍓🍓🍓 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 🍓🍓🍓🍓🍓 ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ,,,,পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি,,,,, হজরত আদম (আ.) গন্ধম ফল খাওয়ার ফলে পৃথিবীতে এসেছিলেন। এ কথা কি ঠিক? আমি আজকে আপনাদের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করবো,,,,,, ইনশাআল্লাহ,,,,, হজরত আদম (আ.) এ গাছের ফল খেয়েছিলেন। কিন্তু এই ফলটা কী, এ নিয়ে আলেমদের মধ্যে অনেক মতবিরোধ আছে। সুস্পষ্ট কোনো দলিলের মধ্যমে এটি সাব্যস্ত হয়নি। সুতরাং, কেউ যদি আন্দাজ করে এমন বক্তব্য দেন, তাহলে তিনি ভুল বক্তব্য দিলেন। এতটুকু বলা যেতে পারে যে ওই নিষিদ্ধ গাছের ফল তিনি খেয়েছেন। যদি গাছটা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতো, তাহলে আল্লাহ এই গাছের পরিচয় করে দিতেন। কোরআনের কোথাও এই গাছের কথা বলা হয়নি। হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.)-কে আল্লাহ সৃষ্টি করার পর তাঁদের জান্নাতে স্থান দিয়েছেন। সুতরাং, জান্নাতের গাছ আর দুনিয়ার গাছ একই নয়। তাই বলার আবকাশ নেই যে এটা কোন গা...

হাওয়া আঃ জীবন কাহিনী

Image
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম  ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, 🌷🌷🌷🌷হাওয়া জীবনী 🌷🌷🌷🌷 হাওয়া (আঃ)-এর সৃষ্টি কাহিনী সূরা বাকারার ৩০ ও ৩৬নং আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় : মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা এই যে, ইবলীসকে ধমক দেয়া হ'ল। তারপর ইবলীসকে যথেষ্ট ভয়ও দেখানো হ'ল । অপর দিকে ইবলীসের চাইতে আদম (আঃ)-এর জ্ঞান ও মর্যাদার বড়ত্বও প্রকাশ করা হয়ে গেল । এই পর্যায়ে আদম (আঃ) এর উপর তন্ত্রা চাপিয়ে দেয়া হ'ল । তার তন্দ্রা অবস্থায় তাঁর বাম পাঁজর থেকে হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হ'ল । তন্দ্রা কেটে গিয়ে আদম (আঃ) জেগে উঠলেন। জেগেই হাওয়া (আঃ) কে দেখতে পেলেন। তিনি দেখতে পেলেন যে, তারই মত রক্ত মাংসের মানুষ হাওয়া (আঃ) তাই হাওয়ার (আঃ) জন্য তাঁর অন্তরের মমতা জেগে উঠল। এটাই ছিল আদম (আঃ) তথা মানবজাতির অন্তরের জাগানো প্রথম প্রেম-ভালোবাসা। ইবনু আব্বাস (রাঃ) এ সম্পর্কে বলেন : আদম (আঃ)-এর সিজদা না করে অবাধ্যতা প্রকাশ করায় ইবলীসকে জান্নাত থেকে তাড়িয়ে দেয়া হ'ল এবং আদম (আঃ) কে ...

আদম আঃ জীবন কাহিনী

Image
                                              পৃথিবীর প্রথম মানব জাতির পিতা আঃ                ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ,,,                   শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু 🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আল্লাহ এক, অদ্বিতীয় ও অসীম সত্তার অধিকারী। আর মানুষ হ’ল তাঁর সর্বাধিক প্রিয় সৃষ্টি। তিনি মানুষকে শয়তান হ’তে সাবধান থাকার পুনঃ পুনঃ নির্দেশ প্রদান করেছেন। কুরআন আল্লাহর গ্রন্থ। এ গ্রন্থে আল্লাহ ইহকাল ও পরকাল সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক-সাবধান করেছেন। পবিত্র কুরআনের বাণী সমূহের প্রতি আস্থাশীল ও অকৃত্রিম বিশ্বাসী থাকারআহ্বান জানান হয়েছে। এতদসত্ত্বেও কেউ কল্পনাপ্রসূতভাবে নিত্যনতুন কর্মকান্ডে প্রবৃত্ত হ’লে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। এখানে এই ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্কবাণীর অবত...

মুসা আঃ জীবন কাহিনী

,,,,,,,,,মুসা আঃ জীবনী,,,,,,,,,,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, আসসালামুয়ালাইকুম: মুসা (আঃ) এর সময় যেই ফেরাউন ছিল তিনি ১৮তম রাজবংশের, তার নাম কাবুস বলে উল্লেখ করা হয়।[৪] সে যুগে ফেরাউন হতো মিশরের সম্রাটের খেতাব। ফেরাউন এক রাতে ঘুমে স্বপ্নে দেখলেন যে, বায়তুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম) থেকে বনী ইসরাঈল বংশে জন্মগ্রহণকারী এক পুত্র সন্তান কর্তৃক তিনি বিতাড়িত হবেন। তার রাজত্বের অবসান ঘটবে এবং তার প্রবর্তিত দ্বীনের পরিবর্তন হবে। তখন তিনি তার পরিষদবর্গকে এ বিষয় অবিহত করলেন এবং এর ব্যাখ্যা জানতে চাইলেন।[৫] হামান ছিলেন ফেরাউনের মন্ত্রী। তাদের স্বপ্নের ব্যাখার ভিত্তিতে ফেরাউন শঙ্কিত হয় এবং তার প্রতিকার হিসেবে তিনি ফরমান জারি করেন যে, বনী-ইসরাঈলের কোন নবজাতক পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই যেন তাকে হত্যা করা হয়। প্রতিটি সন্তান-সম্ভবা মায়ের প্রতি যেন নজরদারী রাখা হয়। এভাবে কিছুকাল অতীবাহিত হওয়াতে বনী-ইসরাঈলের পুত্র সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে এবং এতে করে ফেরাউনের সম্প্রদায়ের লোকজন আশঙ্কা প্রকাশ করে যে, বনী...