Posts

শয়তানের সৃষ্টি ছিল মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ

Image
 শয়তানের সৃষ্টি ছিল মানুষের জন্য পরীক্ষা  Satan's creation was a test for man ইবলীসকে আল্লাহ মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ সৃষ্টি করেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার হায়াত দীর্ঘ করে দেন। মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য ও তাকে ধোঁকা দেওয়াই শয়তানের একমাত্র কাজ। ‘সে মানুষকে বলে কুফরী কর’। কিন্তু যখন সে কুফরী করে, তখন শয়তান বলে ‘আমি তোমার থেকে মুক্ত। আমি বিশ্বপ্রভু আল্লাহ্কে ভয় করি’ (হাশর ৫৯/১৬)। অন্যদিকে যুগে যুগে নবী-রাসূল ও কিতাব পাঠিয়ে আল্লাহ মানুষকে সত্য পথ প্রদর্শনের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন (বাক্বারাহ ২/২১৩)। আদম থেকে শুরু করে শেষনবী মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যন্ত এক লক্ষ চবিবশ হাযার পয়গাম্বর দুনিয়াতে এসেছেন [1]  এবং বর্তমানে সর্বশেষ এলাহীগ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ধারক ও বাহক মুসলিম ওলামায়ে কেরাম শেষনবীর ‘ওয়ারিছ’ হিসাবে[তিরমিযী, আহমাদ, আবুদাঊদ মিশকাত হা/২১২] আল্লাহ প্রেরিত অহীর বিধান সমূহ বিশ্বব্যাপী পৌঁছে দেবার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন (মায়েদাহ ৫/৬৭)। পৃথিবীর চূড়ান্ত ধ্বংস তথা ক্বিয়ামতের অব্যবহিত কাল পূর্ব পর্যন্ত এই নিয়ম জারি থাকবে। শেষনবীর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী পৃথিবীর এমন...

আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো

Image
  আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো আল্লাহকে হত্যা করার জন্য নমরুদ কি ভাবে আকাশে উঠলো   যুগ যুগ দরে যত নবী রাছুল এসেছেন সবাই ইসলাম পচারের জন্য অনেক আঘাত ও লাঞ্চিত হয়েছিলো খোদা দ্রহি নাফরমানী হাতে  প্রতেক নবী ও রাসুলের যুগে বসবাস করতেন। এমন পাপিষ্ঠ ও নাফরমানরা   ঐ যুগে এমন এক বাদশা ছিল। যে কিনা নিজেকে খোদা দাবি করতেন। সে ছিলো চার জন বাদশা মধ্যে অন্যতম এক জন সে 400 বছর দেশ শাসন করেছিলেন সে এতো টাই বেপরোয়া হয়েছিলো নিজেকে খোদা দাবি করল একদিন ইব্রাহীম আঃ বলেন হে নমরুদ তুমি ঈমান আনো আর পরো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ইব্রাহীম ও খলিল উল্লাহ  এই কথা শুনে নমরুদ বলে আমি নিজেই খোদা  তোমার খোদা আবার কোনটা ,,,,,,নাউছুবিল্লাহ ,,,,,,, ইব্রাহীম আঃ বলেন আমার খোদা জান নিতে ও পারে আবার দিতেও পারে তিনি এক তাহার কোন সরিক নাই নমরুদ বলে আমি ও তো পারি এই বলে নিষ্টুর নমরুদ সংগে সংগে ছুরির আঘাতে একজন -কে হত্যা করে। ফেলে বলে দেখ আমি জান নিতেও পারি দিতেও পারি দেখ আমি তর খোদা কে হত্যা করে। তার রাজ্য আমি দখল করব  নমরুদ সপ্নে  দেখে  আগুন থেকে  একটি লো...

কাবিলের কোরবানি কবুল হয়নি কেন?

Image
 18/9/2023⭐⭐⭐ কেন কোরবানী কবুল হয়নি  সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৩ আশ্বিন ১৪৩০ মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আ’লামীনের নিকট থেকে স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে মুসলিম মিল্লাতের আদি পিতা হযরত ইব্রাহীম (আ:) নিজ শিশুপুত্রকে কোরবানি করার প্রচেষ্টার মাধমে ত্যাগের যে মহান শিক্ষা পৃথিবীতে রেখে গেছেন সেটিই আজ মুসলিমদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। হযরত ইব্রাহীম (আ:) মহান আল্লাহ্ তায়ালার সস্তুষ্টি লাভের আশায় এক কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে অত্যন্ত সফলভাবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, যা পবিত্র কোরআন শরীফে বিধৃত হয়েছে (সুরা আল-মায়েদা ২৭-৩১)। মাত্র এগার বছর বয়সী নিজ শিশুপুত্র হযরত ঈসমাইল (আ:)-কে আলালাহ্র রাহে উৎসর্গ করার জন্য তিনি যখন বার বার ছুরি চালিয়েও ব্যর্থ হন তখন মহান আল্লাহ্র নির্দেশে হযরত জিবরিল (আ:) বেহেস্ত থেকে সেখানে একটি দুম্বা এনে প্রতিস্থাপন করলে সেটি কোরবানি হয়ে যায়। কিন্তু কোরবানি অর্থ শুধু পশু কোরবানি করা নয়। এর ইতিহাস, রহস্য ও মাহাত্ম্য আরো সুপ্রাচীন। মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আ’লামীন পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন মুসলিম মিল্লাতের সবচে’ আদি পিতা-মাতা হযরত আদম (আ:) ও হযরত হাওয়াকে সৃষ্টি করে বেহেস্তÍ থেকে ...

হাবিল কাবিল এর জীবন কাহিনী আপন বোনকে বিয়ে করল

Image
 হজরত আদম এবং হাওয়া (আ.)–এর অনেক সন্তান ছিল। তাদের দুই ছেলে ছিল—কাবিল ও হাবিল   আদম ও হাওয়া (আ.)–এর আকলিমা নামে একটি মেয়ে ছিল। কাবিল তাকে বিয়ে করতে চাইত।⭐⭐⭐⭐⭐ হজরত আদম এবং হাওয়া (আ.)–এর অনেক সন্তান ছিল। তাদের দুই ছেলে ছিল—কাবিল ও হাবিল। কাবিল ছিল বড়। মা-বাবার কথা মেনে চলত না। হাবিল ছিল ছোট। মা-বাবাকে মেনে চলত। আদম ও হাওয়া (আ.)–এর আকলিমা নামে একটি মেয়ে ছিল। কাবিল তাকে বিয়ে করতে চাইত। কিন্তু আদম ও হাওয়া (আ.) চাইলেন আকলিমাকে ছোট ছেলে হাবিলের সঙ্গে বিয়ে দিতে। কাবিল তা মেনে নিতে পারেনি। এভাবে কাবিল নিজের মা-বাবা এবং ভাইয়ের শত্রু হয়ে গেল। তাদের মধ্যে বেঁধে গেল বিবাদ। তখন সৃষ্ট এ বিবাদ নিরসনে আল্লাহ হুকুম দিলেন, ‘তোমরা কোরবানি করে পাহাড়ের ওপর রেখে এসো। যার কোরবানি কবুল হবে, তার সঙ্গে আকলিমার বিয়ে হবে।’ এটি দেখে বড় ভাই কাবিল খুব রেগে গেল। সে হাবিলকে বলল, ‘আমি তোমাকে হত্যা করব।’ হাবিল বলল, ‘আল্লাহ সৎ বান্দার কোরবানি কবুল করেন। এখন তুমি যদি আমার সঙ্গে লড়াই করো, তবে আমি তোমার গায়ে হাত তুলব না।’ অবশেষে এর জেরে একদিন বড় ভাই কাবিল ছোট ভাই হাবিলকে হত্যা করল। এটা ছিল প...

আদম আঃ কতো জন সন্তান ছিলো

Image
 ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, প্রশ্ন: আদি পিতা হযরত আদম (আ.) এর কতজন পুত্র ও কন্যা সন্তান ছিলেন। হাবিল ও কাবিলের মধ্যে কে মুসলমান ও কে ইয়াহুদী ছিলেন। তাদের মধ্যে কি ঘটেছিল? উত্তর : হযরত আদম (আ.)-এর সন্তানের সংখ্যা সম্পর্কে ঐতিহাসিক বর্ণনায় মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। ইমাম ইবনে জারীর তাবারী (র.) তদীয় ইতিহাস গ্রন্থে হাওয়া (আ.)-এর গর্ভে হযরত আদম (আ.) এর ২০ দফায় চল্লিশজন সন্তানের জন্ম গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন। (তারীখে তাবারী-১৮৪, বেদায়া নেহায়া ১/৮৯, আল কামীল ১/৪২)। আর কেউ কেউ একশত কুড়ি দফায় দুইশত চল্লিশ জন সন্তান জন্মলাভের কথা উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য যে, উক্ত আদম সন্তানের অর্ধেক সংখ্যক ছেলে সন্তান অর্ধেক সংখ্যক মেয়ে সন্তান ছিলেন। কেননা প্রতি দফায় একজন ছেলে ও একজন মেয়ে জন্মগ্রহণ করত। সর্বপ্রথম দফায় কাবীল ও তাহার যমজ ভগ্নী একলিমা এবং সর্বশেষ দফায় আবদুল মুগীস ও তদ্বীয় যমজ ভগ্নী উম্মুল মুগীস জন্মগ্রহণ করেন (সীরাত ও বিশ্বকোষ ১/৮০)। হাবিল ও কাবিলের কেউ ইয়াহুদী ছিলেন না, তার...

গন্দম ফল

Image
                    🍓🍓🍓🍓🍓🍓 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 🍓🍓🍓🍓🍓 ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ,,,,পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি,,,,, হজরত আদম (আ.) গন্ধম ফল খাওয়ার ফলে পৃথিবীতে এসেছিলেন। এ কথা কি ঠিক? আমি আজকে আপনাদের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করবো,,,,,, ইনশাআল্লাহ,,,,, হজরত আদম (আ.) এ গাছের ফল খেয়েছিলেন। কিন্তু এই ফলটা কী, এ নিয়ে আলেমদের মধ্যে অনেক মতবিরোধ আছে। সুস্পষ্ট কোনো দলিলের মধ্যমে এটি সাব্যস্ত হয়নি। সুতরাং, কেউ যদি আন্দাজ করে এমন বক্তব্য দেন, তাহলে তিনি ভুল বক্তব্য দিলেন। এতটুকু বলা যেতে পারে যে ওই নিষিদ্ধ গাছের ফল তিনি খেয়েছেন। যদি গাছটা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতো, তাহলে আল্লাহ এই গাছের পরিচয় করে দিতেন। কোরআনের কোথাও এই গাছের কথা বলা হয়নি। হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.)-কে আল্লাহ সৃষ্টি করার পর তাঁদের জান্নাতে স্থান দিয়েছেন। সুতরাং, জান্নাতের গাছ আর দুনিয়ার গাছ একই নয়। তাই বলার আবকাশ নেই যে এটা কোন গা...

হাওয়া আঃ জীবন কাহিনী

Image
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম  ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, 🌷🌷🌷🌷হাওয়া জীবনী 🌷🌷🌷🌷 হাওয়া (আঃ)-এর সৃষ্টি কাহিনী সূরা বাকারার ৩০ ও ৩৬নং আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় : মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা এই যে, ইবলীসকে ধমক দেয়া হ'ল। তারপর ইবলীসকে যথেষ্ট ভয়ও দেখানো হ'ল । অপর দিকে ইবলীসের চাইতে আদম (আঃ)-এর জ্ঞান ও মর্যাদার বড়ত্বও প্রকাশ করা হয়ে গেল । এই পর্যায়ে আদম (আঃ) এর উপর তন্ত্রা চাপিয়ে দেয়া হ'ল । তার তন্দ্রা অবস্থায় তাঁর বাম পাঁজর থেকে হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হ'ল । তন্দ্রা কেটে গিয়ে আদম (আঃ) জেগে উঠলেন। জেগেই হাওয়া (আঃ) কে দেখতে পেলেন। তিনি দেখতে পেলেন যে, তারই মত রক্ত মাংসের মানুষ হাওয়া (আঃ) তাই হাওয়ার (আঃ) জন্য তাঁর অন্তরের মমতা জেগে উঠল। এটাই ছিল আদম (আঃ) তথা মানবজাতির অন্তরের জাগানো প্রথম প্রেম-ভালোবাসা। ইবনু আব্বাস (রাঃ) এ সম্পর্কে বলেন : আদম (আঃ)-এর সিজদা না করে অবাধ্যতা প্রকাশ করায় ইবলীসকে জান্নাত থেকে তাড়িয়ে দেয়া হ'ল এবং আদম (আঃ) কে ...